ইয়াবা বিরোধী অভিযান বন্ধে মাফিয়া ডন আবুল বশরের নেতৃত্বে সিন্ডিকেট তৎপর

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, নিউজ কক্সবাজার.কম ।।

ইয়াবার বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কঠোর হুশিয়ারী ঘোষণার পর থেকে পুলিশসহ বিভিন্ন আইন-শৃংঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর অনড় অবস্থানের কারণে ইয়াবা ব্যবসায়ীরাও নানা অপতৎপরতার পাশাপাশি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এমন কি অভিযান চালাতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ইয়াবা চক্রের হামলার শিকার হয়েছে খোদ পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবিসহ বিভিন্ন আইন-শৃংঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্যরাও।

সংঘবদ্ধ চক্রটি ইয়াবা বিরোধী অবস্থানে থাকা লোকজনের উপর হামলা চালানোর পাশাপাশি অভিযান পরিচালনাকারি আইন-শৃংঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে নানাভাবে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ রয়েছে। চক্রটি ইয়াবার বিরুদ্ধে স্বোচ্চার ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নামে-বেনামে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করার অপতৎপরতাও চালিয়ে যাচ্ছে নানা সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

সম্প্রতি টেকনাফ বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শীলখালী গ্রামের মাফিয়া ডন ইয়াবা চোরাচালানী আবুল বশর প্রকাশ আবুইল্ল্যা। তার বিরুদ্ধে ২ হত্যা,অস্ত্র ও ইয়াবা আটকের ঘটনায় মামলা দায়ের করার পর এই আবুল বশর সিন্ডিকেট করে টেকনাফ থানার সাহসী ওসি প্রদীপ কুমার দাশের বিরুদ্ধে নামে-বেনামে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছে। এতে করে বিপাকে পড়েছে ইয়াবার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকা পুলিশসহ বিভিন্ন আইন-শৃংঙ্খল রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় লোকজনও।

তাদের অভিমত, মাফিয়া ডন আবুল বশর ৪টি মামলার আসামী হয়েও সংঘবদ্ধ ইয়াবা চক্রের নানামুখি অপতৎপরতা ও বেপারোয়া আচরণের কারণে খোদ সরকার প্রধানের ঘোষণা বাস্তবায়ন নিয়েও সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে। গত ২০১৭ সালের ৬ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি সফরে কক্সবাজার এসে আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিশাল জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে সর্বনাশা ইয়াবার বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারী ঘোষণা করেন।

এতে ইয়াবা ব্যবসায় জড়িতরা যত বড় শক্তিশালীই হোক না কেনো তাদের আইনের আওতায় আনতে আইন-শৃংঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্যদের প্রতি নির্দেশ দেন। এ নিয়ে আইন-শৃংঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্যরাও নড়েচড়ে উঠেন। আর প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার ১৮ দিনের মাথায় গত ২০১৭ সালের ২৪ মে টেকনাফ সফরে আসেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক।

সেখানে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় সচেতন মহল ও জনপ্রতিনিধিদের প্রতি ইয়াবা ব্যবসা বন্ধে সহযোগিতা কামনা করেন এবং নানা নির্দেশনা দেন।

এরপর জেলা পুলিশের পাশাপাশি ডিবি পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবির সদস্যরা ইয়াবা বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার পাশাপাশি মাদক বিরোধী নানা তৎপরতা শুরু করে। এতে অভিযানে বেশ কিছু চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী আইন-শৃংঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তারের পর সংঘবদ্ধ চক্রটি বেপরোয়া হয়ে উঠার পাশাপাশি অভিযানকারিদের উপর হামলা চালানোর ঘটনাও ঘটেছে। বাহারছড়া উত্তর শীলখালী গ্রামের আক্কেল আলীর ছেলে আবুল বশর দীর্ঘদিন ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত থাকলেও কিন্ত কোনদিন সে ধরা না পড়নি, তবে তার সিন্ডিকেটের অনেকে বন্দুক যুদ্ধে মারা গেছেন।

অনেকে ইয়াবাসহ ধরা পড়লেও ইতোপূর্বে কোনদিন মামলার আসামী হয়নি আবুইল্ল্যার বিরুদ্ধে।তার স্ত্রীর বড় দুই ভাই ইয়াবা কারবারী মো.ইসমাঈল ও উসমান বিশাল ইয়াবার চালান নিয়ে নেত্রকোনা গেলে সেখানে পুলিশের হাতে আটক হন। পরে পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হন তারা। এই ইয়াবা ব্যবসায়ীরা নিহতের পর আবুল বশর আবুইল্ল্যার ইয়াবা সামরাজ্যের কাহিনী উঠে আসে।

চলতি বছর ৩০ মার্চ শনিবার ভোররাত সাড়ে চারটার দিকে টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মোহাম্মদ হোসেন (২৮) নামের এক ব্যক্তি নিহত হন। এসময় ইয়াবা কারবারীদের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন ইয়াবা কারবারীরা।

ঘটনাস্থল থেকে দেশে তৈরি তিনটি বন্দুক, ১২টি গুলি ও দুই হাজার ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ফরহাদ, কনস্টেবল ফাহিম ও মাসুদ গুলিতে আহত হয়েছেন। এ ব্যাপারে টেকনাফ থানা পুলিশ বাদি হয়ে পৃথক ৩টি মামলা দায়ের করেন। টেকনাফ থানার মামলা নং-৮৫/১৯, জিআর-২১৪, থানার মামলা নং-৮৬/১৯, জিআর-২১৫ ও থানার মামলা নং- ৮৭/১৯,জিআর-২১৬। তাং-৩০/০৩/২০১৯।

পুলিশ অ্যাসল্ট, হত্যা, ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় দায়েরকৃত এই তিনটি মামলায় এজাহার নামীয় ১২ নং আসামী হচ্ছে টেকনাফ থানাধীন বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শিলখালী এলাকা মৃত আক্কল আলীর ছেলে মাদক ব্যবসায়ী এই আবুল বশর প্রকাশ আবুইল্ল্যা। একসময় সাগর থেকে রেনু পোনা শিকারী আবুল বশরের রয়েছে গত কয়েক বছরের ব্যবধানে অন্তত ৬০ কোটি টাকার প্রায় ৩০ এককর জমি, ৩টি স্ত্রী, ৬টি বাড়ি ও অসংখ্য মার্কেট করেছে। স্বনামে বেনামে রয়েছে আরো কোটি কোটি টাকার সম্পদ। আর লালন করছে ৫০ জনের অধিক সন্ত্রাসী বাহিনী। এদেরকে দিয়ে জমি দখল, ইয়াবা বহন, পাচার ও ছিনতাইয়ের কাজ করে আসছে অনেকদিন ধরে।

অপর একটি সুত্র জানিয়েছেন, সম্প্রতি উখিয়া থানাধীন বালুখালী ঘুমধুম এলাকা থেকে প্রায় আড়াই লাখ পিস ইয়াবা একটি চালান উদ্ধার করে পুলিশ। উক্ত ইয়াবার চালানে মাফিয়া ডন ইয়াবা ব্যবসায়ী আবুল বশর আবুইল্ল্যার বিভিন্নভাবে সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে সুত্রে প্রকাশ।

স্থানীয় সুত্র জানান,   উক্ত ইয়াবার চালানটি আবুল বশরের নানার বাড়ির পাশে (বালুখালী ঘুমধুম তুমব্রু আজুখাইয়া) এলাকা থেকে উদ্ধার হয়। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে,  আবুল বশর আবুলের মামাতো ভাই দুধর্ষ ডাকাত বহু মামলার আসামি আবু বক্কর এধরনের ইয়াবা চালান বহন করে বলে জানাগেছে ।

এছাড়াও ২০১৬ সালে বাহারছড়া শামলাপুরের মোস্তাফিজ নামের এক আওয়ামী লীগ নেতাকে প্রকাশ্যে দিবালোকে নির্মমভাবে হত্যা করেন এই আবুল বশর সহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা। শামলাপুর গ্রামের মৃত রশিদ আহমদ (কালুর) ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা মুস্তাফিজুর রহমানকে নির্মম ভাবে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আবুল বশরকে দুই নাম্বার আসামী করে ঘটনায় জড়িত ১১ জনের বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের ভাই বাহারছড়া ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুন্নবী। টেকনাফ থানার মামলা নং-১/১৬, যার নাম্বার জি, আর, ১/২০১৬। কিন্তু বরাবরই অধরা রয়েগেছে ইয়াবা ডন আবুল বর।

এছাড়া ইয়াবার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকা আইন-শৃংঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধেও ইয়াবা কারবারী আবুল বশর সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে নামে-বেনামে অভিযোগ দায়ের করে ঘায়েল করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সংঘবদ্ধ একটি চক্র।

একাধিক দায়িত্বশীল সংস্থার তথ্য মতে, পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশসহ অভিযান পরিচালনাকারি বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ঘায়েল করতে নানা অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

এ অপতৎপরতার অংশ হিসেবে বিভিন্ন দপ্তরে নামে-বেনামে অভিযোগ দায়ের, গণমাধ্যম কর্মীদের মিথ্যা তথ্য প্রদান ও ম্যানেজ প্রক্রিয়ায় সংবাদ প্রকাশকেও কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে অবৈধ অস্ত্র ও ইয়াবা মজুদ এবং সংঘবদ্ধ হয়ে হামলার ঘটনাও সংঘটিত করছে। এ হামলা কখনো পুলিশ, কখনো গণমাধ্যম কর্মী আবার কখনো ইয়াবার বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারি লোকজনের উপরও।

টেকনাফ থানা পুলিশের তথ্য মতে, হামলায় অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার করার কথাও মামলার এজাহারে বলা হয়েছে। এর আগেও টেকনাফে পুলিশ সদস্যের উপর এবং ইয়াবার বিরুদ্ধে প্রতিবাাদকারি অন্যান্য লোকজনের উপরও হামলার ঘটনা ঘটে। এতেও প্রকাশ্যে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার করা হয়েছে।

একই সঙ্গে টেকনাফের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিনিয়ত ইয়াবা চক্রের হামলায় অনেকেই আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। এমন কি সোর্স সন্দেহ লোকজনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনাও ঘটেছে টেকনাফে। এসব ঘটনার বিশ্লেষণ করে পুলিশ কর্মকর্তারা স্বীকার করছেন, এ চক্রের হাতে অবৈধ অস্ত্রের মজুদও রয়েছে।

আবুল বশর বলেন, একটি ঘটনায় ইয়াবা মামলা, অস্ত্র আইন ও ২টি হত্যা মামলা দায়ের করা হয় তার বিরুদ্ধে। সেই মামলা থেকে অব্যাহতি পেতে নিজে সাধু হিসেবে উপস্থাপন করে পুলিশের বিরুদ্ধে নানান অপপ্রচার করে পুলিশ সুপার, আইজি,  ডিআইজি সহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন  করেন বলে দাবী করেন তিনি।

পুলিশকে নানাভাবে হয়রানীর ব্যাপারে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পুলিশ ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে অভিযান পরিচালনা করছে। বিষয়টি বুঝতে পেরে সংঘবদ্ধ ইয়াবা ব্যবসায়ী চক্র পুলিশসহ আইন-শৃংঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে নানাভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

একটি সুত্র জানিয়েছেন,  মূলত: ইয়াবা বিরোধী অভিযান বন্ধে ইয়াবা ডন আবুল বশর আবুইল্ল্যার নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ চক্রটি সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে নামে-বেনামে অভিযোগ দিয়ে প্রশাসনসহ জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াতে এ ধরণের অপকৌশলে নেমেছে ।

মাদক বিরোধী স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, পুলিশের কঠোর অবস্থানের কারণে চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ীরা এখন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এমন কি তারা পুলিশসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। ক্ষেত্র বিশেষে অভিযান গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের ছিনিয়ে নেয়ার মতো ঘটনাও সংঘটিত করছে। তারা চাইছে, অভিযানকারি পুলিশ কর্মকর্তাদের নামে অপপ্রচার ছড়িয়ে প্রশাসনসহ জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে অভিযান বন্ধ করতে।

আবুল বশর সিন্ডিকেটের দুইজন বড় মাপের কারবারী টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা পশ্চিম সিকদারপাড়ার মৃত মো. হোসাইন মেম্বারের ছেলে মো. ওসমান গনি (২৮) ও মৌ. দিল মোহাম্মদের ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইল (৪৫) ইয়াবার চালান নিয়ে নেত্রকোনা গেলে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন। পরবর্তীতে নেত্রকোনায় পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হন। নিহত ২ জনই বশরের দ্বিতীয় স্ত্রীর বড় ভাই। বন্দুক যুদ্ধের ঘটনাস্থল থেকে ৭০৫ গ্রাম হেরোইন, তিন হাজার পাঁচ পিস ইয়াবা ও দু’টি পাইপগান জব্দ করা হয়। এব্যাপারে নেত্রকোনা সদর থানায় মামলাও হয়েছে।

এঘটনার পর থেকে ওই নিহত দুই মাদক ব্যবসায়ীর পুরো সাম্রাজ্য একাই নিয়ন্ত্রণ করছেন আবুল বশর। ইয়াবা সংশ্লিষ্ট মামলায় আসামী হওয়া সত্বেও বীরদর্পে ঘুরাফেরা করছে বলে জানান আবুল। পুলিশসহ বিভিন্ন আইন-শৃংখলা রক্ষাকারি বাহিনীর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এ ধরণের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তারপরও পুলিশ কঠোর অবস্থানে অনড় থেকে ইয়াবা বিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখবে। সরকার ঘোষিত ‘চলো যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে’ চলমান অভিযানে বিজিবি সদস্যরা মাদক পাচার প্রতিরোধ ও মাদক কারবারীদের নির্মুল করার জন্য কঠোর ভুমিকা পালন অব্যাহত রেখেছে।

মাদক বিরোধী চলমান এই অভিযানে সবচেয়ে বেশী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশের নেতৃত্বে টেকনাফ থানা পুলিশ।

এদিকে মাদকবিরোধী অভিযানের সফলতার অংশ হিসাবে গত ১৬ ফেব্রুয়ারী ‘নিজেদের দোষ শিকার করে’ অন্ধকার জগৎ ছেড়ে আলোর পথে ফিরে আসার জন্য মাদক কারবারে জড়িত ও মাদকের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া ১০২ জন ব্যক্তি আত্মসমর্পন করেছেন।

আপনার মন্তব্য দিন