এই যদি হয় চাকরের সম্পদ! কক্সবাজারের এসপি’র স্ট্যাটাস ভাইরাল

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, নিউজ কক্সবাজার : 

  • ইয়াবা ব্যবসায়ীদের অস্বাভাবিক উত্তান দেখে সহজে যে কারো চোখ কপালে উঠে যাবে। অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ তারা ব্যবহার করতে পারছে না। এই সব অবৈধ সম্পদে তারা শান্তিতে ঘুমাতে পারছেনা, ভোগও করতে পারছে না।   

বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, মাদক উদ্ধার হচ্ছে, বন্দুক যুদ্ধে মারা যাচ্ছে। আটক হচ্ছে অনেক ব্যবসায়ী। এতো কিছুর পরেও  মাদক পাচার থামছে না। অবশ্য মাদক কারবারীদের অবৈধ সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এটাতে সাধারণ মানুষ খুশি, সাধুবাদ জানান সরকার সহ প্রশাসনকে।

কক্সবাজারের  পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বিপিএম  তাঁর ফেসবুক ওয়ালে একটি স্ট্যাটাস পোস্ট করেছেন। তা মুহুর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

৪ জুন রাত সাড়ে ৩টায় মাদক ব্যবসায়ীদের অর্জিত সম্পদের বিষয়ে স্ট্যাটাসটি পোস্ট করেন।  পাঠকের জন্য পুলিশ সুপারের দেয়া স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো।

এটা টেকনাফের একজন ইয়াবা ব‍্যবসায়ীর গ্রামের বাড়ির অবকাশ যাপন কেন্দ্র। বানিজ্যিক নগরীতে নামিদামি এলাকায় আরো কয়েকটি সুউচ্চ বহুতল ভবন রয়েছে মর্মে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

প্রচলিত আছে যে, একসময় একজন বড় গুরুর অধীনে ছোট্ট চাকরি করতেন। মনিবের সাথে আলাদিনের চেরাগ নামক ইয়াবা ব‍্যবসা শুরু করেন।

সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে ব‍্যবসা পরিবর্তন করে এখন হয়েছেন সমাজের চোখে বিশিষ্ট ব‍্যবসায়ী।

এই যদি হয় চাকরের সম্পদের নমুনা, তাহলে গুরুর সম্পদ পরিবর্তনের পরিমানটা হিসাব করুন!!!!

অবশ্য পুলিশ সুপার তাঁর স্ট্যাটাসে ওই মাদক ব্যবসায়ী গুরু ও তার চাকরের পরিচয় প্রকাশ না করলেও সাধারণ মানুষের বুঝতে বাকি নেই । এধরনের আরো হাজারো ইয়াবা গডফাদার ও তাদের ভৃত্যদের কোটি কোটি টাকার সম্পদ দৃশ্যমান।

 

আপনার মন্তব্য দিন