খুশির পর আরেক বাংলাদেশী বনে যাওয়া রোহিঙ্গা যুবকের মুখোশ উন্মোচন

ডেস্ক রিপোর্ট :

বাংলাদেশী বনে যাওয়া এবার আলোচিত রোহিঙ্গা নারী খুশির পর আরেক রোহিঙ্গা যুবকের মুখোশ উন্মোচন হয়েছে। যার নোংরা ব্যবহার ও স্পর্দা দেখে সহপাঠীরাও হতবাক এবং বিষ্ময়কর অবস্থা।

বাংলাদেশী বনে যাওয়া এই যুবকের নাম হারুনুর রশিদ। পিতার নাম- অজি উল্লাহ। নয়াপাড়া শরণার্থী রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের এইচ (H) ব্লকে তাদের বসবাস। তার বাবা অজি উল্লাহ রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অবস্থিত একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। হারুনুর রশিদ জন্মসূত্রে তথা বংশগতভাবে একজন রোহিঙ্গা নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও কোন এক ছত্রছায়ায় সে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পি.ই.সি, হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জে.এস.সি এবং এস.এস.সি পাশ করেন। এবার হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি পাশ করে চট্টগ্রামের স্বনামধন্য সরকারি সিটি কলেজ থেকে ২০১৮ সালে এইচ.এস.সি পাশ করেছে। বর্তমানে সে চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২য় সেমিস্টারে অধ্যায়নরত আছেন। তবে নিয়মরীতি অনুযায়ে বাংলাদেশী ছন্দবেশে সে চট্টগ্রাম বহদ্দারহাটে একটি মেসেও থাকে। এমনভাবে চলাফেরা করে যাতে রুমমেট গুলোও সহজে বুঝতে না পারে।

প্রসঙ্গত গত কিছুদিন আগে হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুরায় যুবলীগ নেতা ওমর ফারুককে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা রাতের আঁধারে নিশৃংসভাবে হত্যা করে। এরপর থেকে টেকনাফের সচেতনমহল ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকে। বিভিন্ন সচেতন মহল তথা ছাত্রসমাজ, যুবসমাজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্বোচ্ছার হওয়ার আওয়াজ দেন। এই হারুন উর রশিদ সেইখানে রোহিঙ্গাদের পক্ষ নিয়ে, স্থানীয় সরকারকে দোষারোপ করে বিভিন্ন জনের দেয়া স্ট্যাটাসে কমেন্ট করতে থাকে এবং অনেক জনকে হেয় প্রতিপন্ন করতে থাকে। এক পর্যায়ে রোহিঙ্গাদের পক্ষ নিয়ে কাছের বন্ধুবান্ধবের সাথেও তার কমেন্টে উত্তপ্ত বাক্য-বিনিময় হয়। পরে সে বনধুদের বিরুদ্ধে তার ফেসবুক আইডি থেকে স্ট্যাটাস দিতেও পিছপা হয়নি। ফেইসবুক বন্ধুরা বিভিন্নভাবে তার খোঁজ-খবর নিচ্ছে জেনে সে তার আইডি ডিএক্টিভ করে দেয়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই ছেলের ভাব নাকি নিজেই প্রধানমন্ত্রী ভাব ভাব! নিজেকে সেই অনেক কিছু মনে করে। সেই হিসেবে অত্র এলাকার সচেতনমহল ক্ষোভ প্রকাশ করেন। কেননা এই রোহিঙ্গা যুবক বাংলাদেশী বনে গিয়ে রোহিঙ্গাদের পক্ষে রীতিমতো সাফাই গেয়ে যাচ্ছেন।

বাংলাদেশ সরকার দেশের ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য কিছু উগ্রপন্থী রোহিঙ্গাদের জন্য যখন যেকোন শর্ত আরোপ করেন তখন এই ধরনের পরগাছা বাঙ্গালী বনে যাওয়া রোহিঙ্গাগুলো দেশদ্রোহী কাজ তথা মাদক/হত্যা/সন্ত্রাসী/রাহাজানি নানা অপকর্মে লিপ্ত হয়ে যায়। ফলে বহিঃবিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয় এবং অর্থনৈতিকভাবে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে পড়ে।

 

আপনার মন্তব্য দিন