চকরিয়া খুটাখালী কিশলয়ে ৩ ছাত্রকে পিটিয়ে আহত করেছে শিক্ষক

ইমদাদুল ইসলাম জিহাদী, ক্রাইম রিপোর্টার :    

কক্সবাজারেের  চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী কিশলয় আদর্শ শিক্ষা নিকেতনে
৩ ছাত্রকে পিটিয়ে জখম করেছেন ইমাম হুজুর নামের খন্ডখালীন শিক্ষক নুরুল হক।

শুক্রবার (১৫ মার্চ) সন্ধ্যার সময় স্কুলের আবাসিকের ৩ ছাত্রকে নামাজ না পড়ার অজুহাতে ব্যাপক মারধর করে জখম করা হয়।

মারধরের শিকার ছাত্রের নাম হামিদুল ইসলাম(৮ম), তাসফিকুল ইসলাম তাহসিন(৭ম) ও সজিব উদ্দীন(৩য়)।
রক্তাক্ত জখম হওয়ায় তাৎক্ষনিক তাদেরকে চকরিয়া উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মারধরে গুরুত্বর আহত হামিদুল ইসলাম উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের হাঁসেরদিঘী এলাকার নুরুল ইসলাম ও শামিমা আক্তার দম্পতির সন্তান।

এ ঘটনায় মা শামিমা আক্তার বাদী হয়ে নুরুল হককে বিবাদী করে চকরিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যার নং ৬০৫/১৯ তারিখ ১৫/৩/১৯ ইং।

থানায় লিখিত অভিযোগের বরাত দিয়ে মা শামিমা আক্তার জানান, তিনি গৃহীনি, এবং তার স্বামী প্রবাসী।

এ কারণে সন্তানকে যথেষ্ট সময় দিতে পারেন না। তাই ওই স্কুলে ভর্তি করে সেখানকার হোস্টেলে রেখেছিলেন। এদিন আমার ছেলেসহ আরো ২ জনকে নামাজ না পড়ার অজুহাতে ব্যাপক মারধর করে জখম করে স্কুলের ইমাম হুজুর।

তাদের শোরচিৎকারে অপর ছাত্ররা
হোস্টেলের তত্ত্বাবধায়ককে জানালে তাৎক্ষনিক তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত ছাত্রদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

হোস্টেল তত্বাবধায়ক জানান, বিষয়টি প্রধান শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিসহ কমিটির অপরাপর সদস্যদের জানানো হয়েছে। হামিদসহ ৩ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

আবাসিক ছাত্ররা জানায়, ওই শিক্ষক এ ঘটনা কাউকে না বলতে তাদেরকে ভয়-ভীতি দেখান। রাতে আরেকজনের মোবাইল ফোন দিয়ে ঘটনা হামিদের মাকে জানায়। খবর পেয়ে মা ও আত্মীয়-স্বজনরা হোস্টেল ছুটে আসেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত খন্ডখালীন শিক্ষক নুরুল হকের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তিনি রিসিভ না করায়বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।  তবে প্রধান শিক্ষক মোঃ তাজুল ইসলাম ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান।

আপনার মন্তব্য দিন