জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটে বৈশাখী উৎসব পালন

জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটে বৈশাখী উৎসব
মুহাম্মদ ওমর ফারুক, সৌদি আর থেকে :
বাঙ্গালীর প্রাণের উৎসব এই পহেলা বৈশাখ, দেশের গন্ডি পেরিয়ে সৌদি আরবে নববর্ষ ১৪২৬’ কে বরণ করতে জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় বর্ণিল অনুষ্ঠানমালার।
পহেলা বৈশাখ আসে নতুন আশার আলো নিয়ে। বাঙালির আবেগ দোল খায় নববর্ষ বৈশাখের আগমনে। কেবল দেশে নয়, জীবন জীবিকার তাগিদে প্রবাসে যেখানে বাঙালির অবস্থান, সেখানেও বেজে ওঠে আবহমান বাংলার সুর- ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’।সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা এবং নিজস্ব সংস্কৃতিচর্চাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সৌদিআরব জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট’র সৌজন্যে  বর্ণিল আয়োজনেপ্রবাসী বাঙালিরা বর্ষবরণ পালন করেন।
রবিবার দুপুরের পর থেকেই নানান রঙ্গের বাহারি পোশাকে সেজে-গুজে প্রবাসীরা জড়ো হতে থাকে কনস্যুলেট চত্তরে। আর উৎসবকে ঘিরে কনস্যুলেটকে   বর্ণিল আলোকসজ্জা সাজানো হয়।
 এতে, জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় যদিও সৌদি আরবের আইন মেনে বাহিরে অনুষ্ঠানের অনুমতি নেই তাই জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটর হল রুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
উৎসব স্থলে দেশীয় সুস্বাদু হরেক রকমের পিঠা-পুলি সমৃদ্ধ কনস্যুলেটের স্টাফদের একটি ও বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ বাংলা এবং ইংরেজী শাখার দুটি স্টল বর্ষবরণে বাড়তি মাত্রা যোগ হয়। ফিতা কেটে খাবার স্টল ও পিঠা উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বেগম সাবরিনা নাহরিন।
রবিবার স্থানীয় সময় বিকাল চারটার  পর আগত অতিথিদের উদ্দেশ্যে পহেলা বৈশাখের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন কনস্যুলেটের ভারপ্রাপ্ত কনসাল জেনারেল মো: আমিনুল ইসলাম।
ভারপ্রাপ্ত কনসাল জেনারেল মো. আমিনুল ইসলাম-এর উদ্বোধনী বক্তব্যের পর বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও বাঙালি সংস্কৃতিকে তুলে ধরে সাহিত্য সম্ভার, কবিতা পাঠ, বাউল গান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বৈশাখ’ র উপর সমবেত ও একক গান এবং একক, দ্বৈত ও দলীয় নৃত্য পরিবেশন করা হয়। সন্ধ্যা থেকে প্রায় মধ্যরাত পর্যন্ত চলে বাঙ্গালীর এই প্রাণের উৎসবে সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে যেন প্রবাসী বাঙ্গালীদের মিলন মেলা পরিনত হয়।
আপনার মন্তব্য দিন