টেকনাফে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত ২

স্টাফ করেসপনডেন্ট :

কক্সবাজারের টেকনাফে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যার ঘটনায় হওয়া মামলার পলাতক আসামি আরো দুই রোহিঙ্গা পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছে। মামলার পলাতক আসামি আটক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযানের সময় শুক্রবার ভোররাতে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় তারা মারা যায়। এ সময় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় অস্ত্র-কার্তুজ ও খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।

একই মামলার আরেক আসামি হাসান (২০) নামে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গত ২৬ আগস্ট পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা যায়।

পুলিশ সুত্র জানায়, শুক্রবার রাতের প্রথম প্রহরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ দল উপজেলার হ্নীলা জাদিমোরা চাইল্ড ফেন্ডলী স্পেস অফিসসংলগ্ন পেছনের পাহাড়ে হ্নীলা ৯নং ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি ওমর ফারুক হত্যাসহ একাধিক মামলার পলাতক আসামি অবস্থানের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায়।

এ সময় দুবৃর্ত্তরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ঁতে থাকে। এতে এএসআই কাজী সাইফ উদ্দিন, কনস্টেবল নাবিল ও রবিউল ইসলাম আহত হন। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও ২৮ রাউন্ড পাল্টা গুলি চালায়। গোলাগুলির শব্দে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে অস্ত্রধারীরা গুলি করতে করতে পাহাড়ের ভেতরের দিকে পালিয়ে যায়।

কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থল তল্লাশী করে ২টি এলজি, ৭ রাউন্ড শর্টগানের তাজা কার্তুজ এবং ৯ রাউন্ড কার্তুজের খোসাসহ গুলিবিদ্ধ দুই রোহিঙ্গা ও আহত পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আহত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। অপরদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গুলিবিদ্ধ দুই রোহিঙ্গাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান।

টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশ জানান, পুলিশের পলাতক আসামি আটক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে দুর্বৃত্তদের গুলিতে পুলিশের তিনজন সদস্য আহত হয়েছেন। অস্ত্র ও কার্তুজসহ আটক দুই রোহিঙ্গা ডাকাত চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মারা যান। এই ব্যাপারে তদন্ত স্বাপেক্ষে পৃথক মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

আপনার মন্তব্য দিন