টেকনাফ পৌরসভায় ড্রেন পরিষ্কারের নামে জনদূর্ভোগ

বিশেষ প্রতিনিধি।
টেকনাফ পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দিনের পর দিন অনিয়ম। বর্জ্য ব্যস্থাপনার দায়িত্বে থাকা পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সুপারভাইজার দোষ চাপালেন মেয়রের উপর। বেকায়দায় পড়েছে পৌর জনসারণ ও ব্যবসায়ীরা। পৌর সচিবের বক্তব্য জনবান্ধব না ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, টেকনাফ পৌরসভার উপরের বাজার এলাকায় পানি নিষ্কাশনের ড্রেনের বর্জ্য পরিষ্কারে কাজ শুরু করেছে পৌর কর্তৃপক্ষ। বর্জ্য গুলো ড্রেন থেকে তুলে অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার নিয়ম থাকলেও এখানকার চিত্র ভিন্ন। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা এসব ময়লা তুলে সড়কের দুই পাশে ড্রেনের উপরে রেখে দিচ্ছে দিনের পর দিন। ফলে বায়ুবাহী রোগ জীবানু ছড়িয়ে পড়ছে আশে পাশের এলাকায়। নাকে রুমাল চেপে চলাচল করতে হচ্ছে পথাচারীদের। এছাড়া ময়লা আবর্জনার স্তুপের ফলে ড্রেন সংলগ্ন স্থানে অবস্থিত দোকানপাট গুলোর ফটকে যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেছে।
ভুক্তভোগী দোকান মালিকদের অভিযোগ- পৌরসভা সময় মতো কর আদায় করে কিন্তু নাগরিক সুবিধা থেকে আমাদের মতো ব্যবসায়ীদের বঞ্চিত করছে। এসব ময়লা আবর্জনার ফলে দোকানের ফটকে ক্রেতাদের যাতায়াত বন্ধ হয়ে আছে। পার্শ্ববর্তী  দোকানেও কেউ আসতে চাইলেও দূর্গন্ধের কারনে ফিরে যাচ্ছে। অনেক ব্যবসায়ী ক’দিন ধরে দোকানপাট বন্ধ রেখেছে এমন অভিযোগও উঠে এসেছে।
অপরদিকে পৌরসভার স্থানীয় বাসিন্দারা জানান- পৌরসভা ড্রেন পরিষ্কারের নামে যা শুরু করেছে পথ ধরে চলাচল করতে গেলে দম বন্ধ হয়ে যায় অবস্থা।
এই বিষয়ে পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সুপারভাইজার সৈয়দের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান- ড্রেনের ভিতর থেকে বর্জ্য গুলো তুলে ড্রেনের উপরে রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন পৌর মেয়রের। তার নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত এসব বর্জ্য অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার ক্ষমতা আমাদের নেই। এখন জনস্বার্থ চিন্তা করে করতে গেলে আমার চাকরি থাকবেনা।
এই বিষয়ে পৌর মেয়র হাজী ইসলামের কাছে কয়েক দফা ফোন করেও যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হয়নি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে পৌর সচিব ফরায়েজী পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বক্তব্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান- পৌরসভার ময়লা রি-সাইকেলিং ব্যবস্থা না থাকায় ময়লা গুলো ড্রেন থেকে তুলে শুকানোর জন্য ড্রেনের উপরে রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে এতে পথাচারী বা ব্যবসাপ্রতিষ্টানের কি ক্ষতি হচ্ছে সেটা দেখার বিষয়না। প্র‍য়োজনে আপনার ইচ্ছে মতো আমাদের বিরুদ্ধে লিখেন।
আপনার মন্তব্য দিন