বাংলাদেশ পুলিশের আদর্শের অনন্য প্রতীক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোছাইন

আবু সায়েম, নিউজ কক্সবাজার :

ইকবাল হোছাইন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) হিসেবে কক্সবাজারে কর্মরত আছেন। সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে কক্সবাজারে যোগদান করেছেন তিনি। যোগদানের ৬ মাসের মধ্যে কক্সবাজার জেলায় সামগ্রিক পরিবর্তন হয়েছে অবিস্মরণীয়।

মেধাবী কার্যক্রমের মাধ্যমে কক্সবাজারে  আজ অনেকটা মাদক শূণ্যের কোটায়। সৃজনশীল কৌশল অবলম্বন করে কক্সবাজার জেলাকে মডেল জেলায় রুপান্তরে তিনি বদ্ধপরিকর। রাত দিন পরিশ্রম করে কক্সবাজার জেলার মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে সেজন্য ৮ উপজেলার কর্মরত সকল পুলিশের সহায়তায় এবং তারঁ চৌকস পুলিশিং কার্যাবলির মাধ্যমে আজ কক্সবাজারের মানুষ স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছে। পুলিশ সম্পর্কে বেশির ভাগ মানুষ খারাপ ধারণা পোষণ করে।

কিন্তু ইকবাল হোছাইন এমন একজন মানুষ, শুধু নাম না, তারঁ প্রাত্যহিক কার্যাবলি প্রতিটি ইতিহাসের অংশ। নিজের ডিপার্টমেন্টের অনেক পুলিশ সদস্য তাকেঁ সৎ ও ন্যায় নীতিকতার আদর্শের প্রতীক হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন।

সততা ন্যায় নীতিকতাকে সামনে রেখে মডেল কক্সবাজার রুপান্তর করতে কক্সবাজার জেলাকে নিরাপত্তার চাদরে আচ্ছাদিত রাখতে তারঁ ফোর্সকে প্রাত্যহিক অভিযান অব্যাহত রাখতে তাগদা দিয়ে থাকেন এবং মানুষের জন্য প্রত্যক্ষ সেবার দ্বার উন্মোচন করেছেন।

কক্সবাজার জেলার মানুষ এমন একজন পুলিশ অফিসারকে পেয়েছে ,যার পিতা একজন মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টি করতে যার বাবা মুক্তিযোদ্ধা করেছেন তারঁ ছেলে অবশ্যই অবশ্যই সোনার বাংলাদেশ গড়তে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন। কক্সবাজারের পুলিশিং কার্যক্রমকে এমনভাবে সাজিয়েছেন প্রত্যেকটি কার্যাবলিই সৃজনশীলতার বহিঃপ্রকাশ।

তিনি এমন একজন অফিসার যিনি লোভ লালসাকে দূরে ঠেলে দিয়ে ইহকাল ও পরকালে যাতে শান্তি পেতে পেরেন , প্রবাদ আছে মানুষ বাচেঁ তারঁ কর্মের মধ্যে বয়সের মধ্যে নহে!সে প্রবাদ বাক্যকে বাস্তবে রুপ দিতে তিনিই তারঁ কর্মকান্ডে অবিচল আছেন।

প্রকৃত মানুষ এবং ভালো মানুষ হিসেবে যাতে মানুষের মণিকোটায় স্থান নিতে পারেন সেজন্য সততা ও ন্যায় নীতিকতাকে সামনে রেখে আদর্শ শব্দটির যথার্থ লালন , পালন ,ধারণ এবং তারঁ কর্মকান্ডে বাস্তবায়ন করেছেন।সত্যিই কক্সবাজারের মানুষের কাছে তিনি খুবই জনপ্রিয়।

পুলিশিং কার্যক্রমে ফিরে আসছে শৃংখলা সবার মধ্যে সেবার মন মানসিকতা তৈরী হয়েছে আগাছা দূর করে সুন্দর, বাসযোগ্য, অধিকতর নিরাপদ এবং সর্বোপরি মডেল কক্সবাজার রুপান্তর করতে আজ তিনিই সফলতার দ্বার প্রান্তে । প্রিয় মানুষটির জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা।

প্রসঙ্গতঃ তরুণদের আদর্শের প্রতীক ইকবাল হোছাইন নরসিংদি জেলার মনোহরদী উপজেলার সিদিরপুর ইউনিয়নের পীরপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা শওকত আলী মাষ্টারের ৫ ভাই বোনের মধ্যে ৪র্থ মেধাবী সন্তান ইকবাল হোছাইন। ২০০৮ সালে ২৭ তম বিসিএিস পাশ করে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে সেবার মন মানসিকতা নিয়ে যোগদান করেছেন।

প্রথমে পুলিশ বাহিনীতে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ণ হন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, জাতিসংঘ শান্তি মিশনে (মালিতে) এক বছর , সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ , ব্্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হয়ে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করে পুলিশ বিভাগে বেশ প্রশংসিত হন।

২০১৪-১৫ সালে মালিতে জাতিসংঘ মিশনে চমৎকার দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে পুলিশে আলোচিত হন। তার ফলস্বরুপ জাতিসংঘ শান্তি পদক ও লাভ করেন।

আপনার মন্তব্য দিন