চকরিয়ায় বসত ভিটায় হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ

মো: নাজমুল সাঈদ সোহেল, চকরিয়া।।
কক্সবাজারের চকরিয়ায় বসতভিটাৱ জের ধরে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় এক গৃহবধূসহ দুইজন আহত হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার সময় উপজেলার বিএমচৱ ইউনিয়নের সাত নাম্বর ওয়ার্ডস্থ হাঁসের সিকদার পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন সরোয়ার আলমের স্ত্রী খাদিজা বেগম আবু সিদ্দিকের পুত্র হুমায়ুন কবিৱ।এ সময় হামলাকারীরা হুমায়ুন কবিরের বাড়িতে ধারালো কিৱিচ দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে তার স্ত্রীসহ অপরাপর সদস্যদের জখম করে নগদ টাকা ও একটি স্বর্ণের চেইনসহ বাড়ির মূল্যবান জিনিসপত্র লুটপাট করে নিয়ে যায়।
হামলাকারীরা হলেন একই এলাকার বদিউল আলমের পুত্র নেচাৱুল হক ছুট্টো, আহালুৱ পুত্র সোহাগ, আজগর আলীর পুত্র মোঃ মামুন ও মোহাম্মদ তাজুল, মৃত আব্দুস সামাদ এর পুত্র মোহাম্মদ সেলিম ও মহিউদ্দিন, নেচারুল হক ছোট্টুর স্ত্রী হামিদা বেগম।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বসতভিটা ও সীমানা বিরোধ নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত চকরিয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলাসহ সালিশী বৈঠক চলে আসছিল। যাহার মামলা নম্বর জি.আর – 519/19। কিন্তু শনিবার সন্ধ্যায় দূর লোভের বশবর্তী হয়ে জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টাসহ পরিকল্পিতভাবে সরোয়ার আলম এর বাড়িতে ধারালো কিৱিচ ও অবৈধ অস্ত্র নিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম কৱে ঘরে গচ্ছিত নগদ টাকাসহ স্বর্ণালংকার লুট পাট করে নিয়ে যায়। এসময় আহতদের শুরচিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এমতাবস্থায় আহতদের ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চকৱিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
আহত হুমায়ুন কবিৱ বলেন, হামলাকারীরা এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তাদের বিরুদ্ধে ডাকাতি মামলা সহ বিভিন্ন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। বসতভিটায় তাদের কোন প্রকার সত্ত্ব না থাকাৱ পরেও অত্যন্ত পরধন লোভী ও ভূমিদস্যু প্রকৃতির লোক হওয়ায় দূরলোভের বশবর্তী হয়ে আমার পরিবারকে ইতিপূর্বে বিভিন্ন ধরনের হাঁকাবাঁকা ও হুমকি প্রদর্শন করে আসিতেছে। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে শনিবার আমাৱ বসত ভিটাৱ মূল্যবান গাছ কেটে বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণেৱ কাজ শুৱু করে। উক্ত কাজে বাঁধা প্রদান করলে আমার পরিবার-পরিজনসহ আমাকে অবৈধ অস্ত্রসহ ধারালো কিরিচ দিয়ে এলোপাতাড়ি জখম করে নগদ টাকা, মোবাইল , স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে চকরিয়া থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছি।
হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাকেৱ মোহাম্মদ যুবায়ের বলেন, হামলার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর মাতামুহুরী তদন্ত কেন্দ্রকে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

আপনার মন্তব্য দিন