টেকনাফে এলপি গ্যাস স্টেশনে সিলিন্ডার ভর্তি করে গ্যাস বিক্রি শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যা

গত ৩০ আগষ্ট জাতীয় নিউজ পোর্টাল বার্তা বাজার এবং বেশ ক’টি জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় নাফ পেট্রোল সার্ভিসের নাম ব্যবহার করে ‘টেকনাফে এলপি গ্যাস স্টেশনে সিলিন্ডার ভর্তি করে গ্যাস বিক্রি’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টি গুচর হয়েছে। সংবাদটিতে প্রকাশিত ছবি ও ভিডিও চিত্র গুলোর ব্যাপারে আমাদের স্পষ্ট ব্যাখ্যা রয়েছে।

নাফ পেট্রোল সার্ভিস দ্বীর্ঘ বছর ধরে সরকার অনুমোদিত একটি জ্বালানী সর্বরাহকারী ফিলিং স্টেশন। তার পাশাপাশি অনুমোদিত ভাবে বিগত ২০১৮ সালের দিকে মোটরযানবাহী সিলিন্ডারে লিকুইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সর্বরাহ শুরু করে। তাছাড়া আমাদের আলাদা মালিকানাধীন আরো একটি বোতলজাত গ্যাস বিক্রির অনুমোদন পত্র রয়েছে।

নাফ পেট্রোল সার্ভিস নামক আমাদের মালিকানাধীন প্রতিষ্টানে অবৈধ গ্যাস বোতলজাত করে বিক্রি ও সর্বরাহ করছে বলে একটি সংবাদ ও আলাদাভাবে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। সংবাদটিতে লকডাউন চলাকালে আমাদের প্রতিষ্টান থেকে বোতলজাত করে গ্যাস বিক্রি করা হয়েছিলো বলে উল্লেখ করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। এছাড়াও ভিডিওটিতে একটি ইজিবাইকে করে সিলিন্ডার নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং অপর একটি ইজিবাইক থেকে সিলিন্ডার নামিয়ে আমাদের পাম্প মেশিনের সামনে রাখার চিত্র দেখা গেছে।

মূলত, ভিডিও চিত্রে প্রদর্শিত ইজিবাইকে করে যে বোতলটি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সেটি কোন একসময় এক জন গ্রাহক বোতল নিয়ে গ্যাস রিফিল করার জন্য আমাদের প্রতিষ্টানে এসেছিলো। কিন্তু কর্মচারীরা অপারগতা জানালে ফিরে যাওয়ার সময় কেউ একজন কৌশলে ভিডিও ধারণ করে প্রতিবেদক কে উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে সর্বরাহ করেছে বলে আমাদের ধারণা।

এছাড়াও ভিডিওটির অপর অংশে কোন একটি গাড়ি থেকে নেমে এক অপারেটর কোম্পানীর ব্যক্তি সিলিন্ডার রিফিল করতে চায়। আমাদের কর্মচারীরা অপারগতা প্রকাশ করে। তবুও বিশেষ অনুরোধে কায়দা করে রিফিল হচ্ছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখার সময় হয়তো কেউ একসময় অতি গোপনে উদ্দেশ্য মূলকভাবে ভিডিও ধারণ করছে বলে প্রতিয়মান হয়।

আমরা সাধারণত আইনের বিধিমালা ও আমাদের সংশ্লিষ্ট (এলপিজি) কোম্পানীর নির্দেশ মেনে গ্যাস বোতলজাত করিনা।  অপর একটি লাইসেন্সের অনুকূলে চাহিদা মতো চট্টগ্রাম থেকে এনে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করে থাকি।

আমাদের ধারণা, অজানা স্বার্থে বিশেষ একটি চক্র আমাদের দ্বীর্ঘ দিনের ব্যবসার সফলতার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে সুনাম নষ্ট করতে আমাদের বিরুদ্ধে চক্রান্তমূলক ভাবে ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে। পাশাপাশি দায়িত্বশীল কিছু সাংবাদিকদের এসব পাতানো তথ্য ও ভিডিও সর্বরাহ করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে তাদের ব্যবহার করছে।  আমাদের প্রতিষ্টানটি বৈধ লাইসেন্সের অনুকুলে একটি সেবামূলক প্রতিষ্টান। সুতরাং অতীতেও আমাদের প্রতিষ্টানের পেশাদারিত্ব ধরে রেখেছিলাম, সামনের দিন গুলোতেও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে পেশাদারিত্ব ধরে রাখবো।  তাই উক্ত সংবাদে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও পাঠকদের বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

নিবেদক:
মো. দিদার হোসেন।
মালিক ও পরিচালক, নাফ পেট্রোল সার্ভিস।

আপনার মন্তব্য দিন