শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বন্য হাতির জন্য খাদ্য, নিরাপদ বাসস্থান ও প্রজননের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে- সচেতনামুলক সভায় বক্তারা কক্সবাজার সদরের খরুলিয়ায় ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে জমি দখলে মরিয়া দখলবাজ চক্র কক্সবাজার শহরে উদ্বেগ জনক ভাবে বেড়েছে ছিনতাই : নিহত-২ আতিকুর রহমানকে ফের ৯নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে দেখতে চায় এলাকাবাসী রাজনীতি থেকে সরে দাড়ালেন মহিলা আ.লীগ নেত্রী আঁখি কক্সবাজারে কথা কাটাকাটির জেরে ছুরিকাঘাতে কলেজ ছাত্র খুন টেকনাফ উপজেলা যুবদলের উদ্যোগে তারেক রহমানের ৫৬ তম জন্মদিন পালন স্বামীর পর এবার ইয়াবাসহ স্ত্রীও কারাগারে কক্সবাজারে হোটেলের ৮ তলা থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু : শরীরে আঘাতের চিহ্ন মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার নির্দেশ

টেকনাফে ফের সক্রিয় মানব পাচারকারী আরিফ-মিন্টু সিন্ডিকেট

নিউজ কক্সবাজার ডটকম
  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার।।

শীত মৌসুমে সাগর শান্ত থাকায় কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মানবপাচারকারীরা আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রকৃতিতে শীতের আমেজ। সাগর কিছুটা শান্ত। কিন্তু মোটেও শান্ত নয় পাচারকারীরা। বেপরোয়া হয়ে উঠেছে সাগর পথে মানবপাচারে। হতাশ রোহিঙ্গারাই প্রধান টার্গেট, বাংলাদেশীদেরও বোটে তুলছেন নানা কৌশলে। এরপর জিম্মি করে চলে টাকা আদায়। গত বছর এমনই সময়ে
কক্সবাজারের সোনাদিয়া দ্বীপ থেকে ২৫ রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করেছিল পুলিশ। এছাড়া টেকনাফ বাহারছড়া, সেন্টমার্টিন ও কক্সবাজার শহর থেকে পাঁচ শতাধিক মালয়েশিয়াগামী রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করেছিল।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, টেকনাফ বাহারছড়া শামলাপুর হচ্ছে আলোচিত মানবপাচারে নিরাপদ ট্রানজিট পয়েন্ট। রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এই বাহারছড়ায় বর্তমানে তালিকাভুক্ত মানবপাচারকারী শফি উল্লাহর ছেলে শহিদ উল্লাহ ও আরিফ উল্লাহ সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বাহারছড়া শামলাপুর পুরানপাড়া এলাকার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে শফি উল্লাহ (৫০) এক সময় অভাব অনটনে দিন যেতো। বর্তমানে কোটি কোটি টাকা ও সম্পদেরর মালিক।
সাগর পথে অবৈধভাবে মালেশিয়া পাড়ি জমান শফি উল্লাহর ছেলে তৈয়ব উল্লাহ।সেখানে গিয়ে কৌশলে পরবর্তীতে তার ভাই আরিফ উল্লাহকেও নিয়ে যায়। শুরু করে সাগরপথে আদম ব্যবসা। দিনদিন এলাকায় মাথা ব্যবসায়ী বলে পরিচিত পাশ শফি উল্লাহ। রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের রাতারাতি কোটিপতির স্বপ্ন দেখিয়ে শুরু করে মানবপাচারের পিতাপুত্র সিন্ডিকেট। সাগরপথে শতশত মানবকে মালয়েশিয়ায় পাচার করে হয়ে যায় কোটি টাকার মালিক।
এলাকাবাসী জানান, একসময়ের
খুঁড়েঘর থেকে বিলাশ বহুল বাড়ীর মালিক বর্তমানে শফি উল্লাহ। কাঠের বোট নিয়ে সাগরপথে মানবপাচারের ঘটনা প্রশাসনের নজরে আসে, আলোচিত হন শফি উল্লাহ। তখন আরিফ উল্লাহ ও তার ভাইয়েরা মালয়েশিয়া,থাইল্যান্ডে মানুষদের নিযার্তন করে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। পরে মানবপাচারের মামলার আসামী হয় শফি উল্লাহ, তার ছেলে শহিদ উল্লাহ। মানবপাচারের মামলায় জেলও খেটেছে শফি উল্লাহ, তবে পলাতক ছিলো তার ছেলে শহিদ উল্লাহ।

সুত্র জানা যায়, গত দুই বছর পূর্বে তালিকাভুক্ত মানবপাচারকারী শফি উল্লাহর ছেলে আরিফ উল্লাহ মালেশিয়া থেকে এসে নিজেকে ডাক্তার জাহির করেন। এসব শুনে এলাকার লোকজন হাসাহাসি করে। যার কোন যোগ্যতা নেই, কোনদিন স্কুলের বারান্দায় যায়নি সে আবার কিসের ডাক্তার বলে এলাকার লোকজন হাসাহাসি শুরু করে।
কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর বাজারে একটি ফার্মেসী করে নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দিচ্ছে এই মানবপাচারাকারী ও মালয়েশিয়া ফেরত আরিফ উল্লাহ।।কয়েকদিন যেতে না যেতে রেজাউল করিম মিন্টু নামের একজন ডাক্তার হয়ে আসে।অনুসন্ধানে জানা গেছে,মিন্টু ডাক্তার ও লিখতে জানেনা। সে ছিলো একজন ইয়াবা কারবারী।চট্টগ্রামে নিজের জন্মস্হান পরিচয় দেয় ভুয়া ডাক্তার মিন্টু কয়েকদিন পর আবার নিজেকে সাংবাদিকও পরিচয় দিতো।কোন পত্রিকার সাংবাদিক জিজ্ঞেস করলে চুপ হয়ে থাকতো ইয়াবা এবং মানবপাচারকারী মিন্টু।
ইয়াবা পাচারের সুবিধার জন্য মিন্টুর রয়েছে একাধিক স্ত্রী।আরিফ এবং মিন্টু মিলে দুজনের স্ত্রীদের দিয়ে ইয়াবা ব্যবসা করার খবরও লোকের মুখে মুখে।
স্হানীয়দের গনধুলাইয়ে মিন্টু শামলাপুর ছেড়ে পালিয়ে গেলেও তার ইয়াবা কারবারের সিন্ডিকেট বহাল তরিয়তে রয়েছে বলে একটি নির্ভর যোগ্যসুত্রে জানা গেছে।

স্হানীয়রা বলেন,আরিফ উল্লাহ নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দিতো বর্তমানে মিন্টু চট্টগ্রাম এবং আরিফ উল্লাহ টেকনাফ থেকে ইয়াবা পাচার করছে বলে তাদের অভিযোগ। মিন্টু এবং আরিফকে আইনের আওতায় আনলে তাদের মানবপাচার ও ইয়াবা কারবারের গোপন তথ্য বেরিয়ে আসবে এলাকার সচেতন মহলের ধারণা।

 

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো সংবাদ>>
© All rights reserved © 2017-2020 নিউজ কক্সবাজার ডটকম
Theme Customized By Shah Mohammad Robel