বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন

টেকনাফে বিজিবির সঙ্গে গোলাগুলিতে ‘ইয়াবা কারবারি’ নিহত

নিউজ কক্সবাজার ডটকম
  • আপডেট টাইম শনিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২০

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন।।

কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদীতে বিজিবির সাথে গোলাগুলিতে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এসময় আহত হয়েছে বিজিবির দুই সদস্যও। ঘটনাস্থল থেকে ২ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা, একটি দেশে তৈরী অস্ত্র ও দুই রাউন্ড কার্তুজের খালি খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। বিজিবি’র দাবী, নিহত ব্যক্তি ইয়াবা কারবারি। তবে তার পরিচয় সনাক্ত করা যায়নি।
টেকনাফের ২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল ফয়সল হাসান খান জানান, বিজিবির কাছে খবর ছিল শুক্রবার মধ্যরাতে নাফ নদীর ১ নাম্বার স্লুইচ গেইট এলাকা মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান আসতে পারে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিজিবির একটি বিশেষ টহল দল সেখানে স্পীডবোট নিয়ে টহলরত অবস্থায় ৩ জন সন্দেহজনক ব্যক্তিকে হস্তচালিত কাঠের নৌকা নিয়ে বাংলাদেশের জলসীমার দিকে আসতে দেখে। বিজিবির টহলদল তাদের চ্যালেঞ্জ করা মাত্রই তারা বিজিবি সদস্যদের লক্ষ করে গুলি বর্ষন করতে থাকে। এতে বিজিবির দুই সদস্য আহত হয়। এসময় বিজিবি সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালালে দুই জন ইয়াবা কারবারী নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে শূণ্য রেখা অতিক্রম করে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলে যায়।

পরে বিজিবি সদস্যরা কাঠের নৌকা থেকে অজ্ঞাতনামা এক ইয়াবা কারবারিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে তাকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। নৌকা তল্লাশী করে ২ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা এবং গুলিবিদ্ধ ব্যক্তির কাছে একটি দেশে তৈরী অস্ত্র দুই রাউন্ড কার্তুজের খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা ইয়াবার মূল্য প্রায় ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

বিজিবি কর্মকর্তা লে. কর্ণেল ফয়সল হাসান খান আরও জানান, এ ঘটনায় আহত বিজিবি সদস্যদের টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সরকারি কাজে বাঁধা প্রদান এবং অবৈধ মাদক পাচারের দায়ে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনী পদক্ষেপ গ্রহনের প্রক্রিয়া চলছে।
বিজিবির অধিনায়ক বলেন, গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।”

নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ফয়সল।

এদিকে, স্থানীয়রা জানান, আত্মস্বীকৃত ও আত্মসমর্পণকারী
শীর্ষ ইয়াবা ডনরা জামিনে মুক্ত হওয়ার পর ফের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। ইয়াবার চালান আসছে। ধরাও পড়ছে। ওই ইয়াবা গডফাদারদের পেছনে গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করা জরুরী বলে মনে করছে সচেতন মহল।

 

 

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো সংবাদ>>
© All rights reserved © 2017-2020 নিউজ কক্সবাজার ডটকম
Theme Customized By Shah Mohammad Robel