নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা: গরু ব্যবসায়ী সাদ্দামকে হামলার অভিযোগ

বার্তা পরিবেশক। 

সাবরাং ইউনিয়নের কচুবনিয়া এলাকার সাদ্দাম হোসেন (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে হামলা  করে আহত করেছে প্রতিপক্ষ।  

শুক্রবার (১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১ টার দিকে টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের কচুবনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত সাদ্দামকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে  ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর মডেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। 

সাদ্দাম হোসেন সাবরাং ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জলিল আহমদের ছেলে। তিনি পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী।  

সাদ্দাম হোসেন জানান, ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কচুবনিয়া এলাকা থেকে সিদ্দিক আহমদ এবং জাফর আহমদ নামে দুইজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। তার মধ্যে সিদ্দিক আহমদ আমার দাদা হওয়ায় আমি তার পক্ষ হয়ে নির্বাচনে কাজ করি। যা আমাদের প্রতিপক্ষ কোনভাবে মেনে নিতে পারেনাই। এর জেরে গত শুক্রবার রাতে আমার চাচা একই এলাকার বকশু মিয়ায় ছেলে আবুল কালামের গরুর ফার্ম থেকে কাজ শেষ করে বাসায় ফেরার জন্য রওয়ানা দিই। পথিমধ্যে আমার দাদা রশিদ আহমদের একাশি বাগান সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে একই এলাকার মোজাফফর হোসেনের ছেলে গোরা মিয়া, রকিম মাঝির ছেলে আজিম উল্লাহ, জাফর আহমদের ছেলে জাবের এবং আব্দু করিমের ছেলে আমান উল্লাহ আমার গতিরোধ করে। 

কিছু বুঝে উঠার আগে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। হত্যা করে লাশ ঘুম করার হুমকি দেয়। এসময় আমি ভয়ে দৌড়াতে থাকি। তারা ও আমার পিছু নেই। কিছুদূর যেতে পা পিছলে আমি মাটিতে পরে যায়। এসময় তারা আমাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে।  গুরা মিয়ার হাতে থাকা অস্ত্র নিয়ে সজোরে আমার মাথায় আঘাত করে। আমার চিৎকারে লোকজন জড়ো হলে তারা পালিয়ে যায়।

এদিকে অভিযুক্ত গোরা মিয়ার বিরুদ্ধে ইয়াবা,মানবপাচারসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে

ছবিঃ আহত সাদ্দাম হোসেন

এ বিষয়ে গুরা মিয়া তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে মিথ্যা এবং বানোয়াট বলে প্রতিবেদকের কল কেটে দেয়। 

এদিকে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, নির্বাচন পরবর্তী আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে। এই হামলার বিষয়ে থানায় অভিযোগের বিষয় আমার জানা নেই। কেউ অভিযোগ দিলে যাচাই বাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মন্তব্য দিন