প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বিতরণের তালিকা প্রকাশে সাবরাংয়ে নজির স্থাপন করল নুর হোসেন চেয়ারম্যান

শাহ্‌ মুহাম্মদ রুবেল, প্রকাশক
নিউজ কক্সবাজার ডটকম

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে কর্মহীন হয়েপড়া নিন্ম আয়ের মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশেষ ঈদ উপহার হিসেবে প্রতিজনকে ২৫০০ টাকা করে প্রদানের সিদ্বান্ত নিয়েছেন।  উপহারের এই টাকা বিতরণের তালিকা তৈরিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে অনেক জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে অনিয়ম স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠলেও টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান এই ক্ষেত্রে সৎ সাহস দেখিয়েছেন।  তিনি ইউনিয়ন পরিষদের নোটিশ বোর্ডে উপকারভোগী কর্মহীন হয়েপড়া নিন্ম আয়ের মানুষের তালিকা টাঙ্গিয়ে দিয়ে রীতিমত নজির স্থাপন করেছেন।

এ বিষয়ে নুর হোসেন চেয়ারম্যান বলেন, আমি এবং আমার পরিষদ সম্পূর্ণ দূর্নীতিমুক্ত।  মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কর্মহীন মানুষের মাঝে নগদ টাকা উপহারের তালিকা যথাযথভাবে করা হয়েছে।  তালিকাটি ইউনিয়নবাসী যাতে সচক্ষে দেখতে পায় তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে টাঙ্গিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, সরকারী সকল সুযোগসুবিধা আমার ইউনিয়নে বিতরণের সুস্পষ্ট হিসেব আমার কাছে লিপিবদ্ধ রয়েছে।

ইউপি চেয়ারম্যান
নুর হোসেন আরও বলেন, উক্ত তালিকায় যাহারা বাদ পড়ছে, তাহাদেরকে সম-পরিমাণ সুবিধা সম্পন্ন অন্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। তাছাড়া ১০ টাকা মূল্যে ৩০ কেজি চাউল এবং ৩০ কেজি করে ভিজিডি চাউল প্রতি মাসে দেওয়া হচ্ছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গরীব মানুষের জন্য ঈদ উপহার দিচ্ছেন।  সেখানে তালিকা তৈরীতে অনিয়ম বা স্বজনপ্রীতি হবে সেটি দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধির কাম্য নয়। তাই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অংশহিসেবে নির্বাচিত উপকারভোগী কর্মহীন হয়েপড়া নিন্ম আয়ের মানুষের তালিকা জনসম্মুখে প্রকাশ করেছি। তালিকার কপি ইউনিয়ন পরিষদের নোটিশ বোর্ডে টাঙ্গিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সব জনপ্রতিনিধি দুর্নীতিবাজ নন দাবি করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে মোট ৪৫৭১ জন চেয়ারম্যান ও ৫৪,৮৫২ জন মেম্বার রয়েছে। তার মধ্যে কি সবাই অনিয়মে জড়িত। একটি সত্য কথা হলো, পরিষদের সবধরণের ত্রাণ সহায়তা বিতরণের ক্ষেত্রে চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের সাথে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের লোকজন একসাথে কাজ করে। সেইজন্য বলবো দেশের সব জনপ্রতিনিধিদেরকে লাগামহীনভাবে দোষী সাব্যস্ত করা যাবেনা।  আগে সত্যতা যাচাই করতে হবে।


নুর হোসেন চেয়ারম্যান আরও বলেন, চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করার সময় ভুল করতে পারি তবে পরিষদের বা সরকারি কোন বরাদ্দ আত্মসাৎ করিনি, ইনশাল্লাহ ভবিষ্যতেও এই ধরণের কাজ আমি করবো না।

আপনার মন্তব্য দিন