সোমবার, ৪ঠা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
Homeচকরিয়াফাঁদ-সুযোগ পেলেই হানবে আঘাত,উল্টিয়ে দেবে গণেশ

ফাঁদ-সুযোগ পেলেই হানবে আঘাত,উল্টিয়ে দেবে গণেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি:

দলীয় মনোনয়ন অর্জন জাফর আলমের জন্য ছিল অগ্নিপরীক্ষা।তিনি লড়েছেন একা,অন্য কারো কৃতিত্ব নেয়ার সুযোগ নেই।বীরের মতো এগিয়েছেন তিনি, পিছনে ফিরেননি।ঝুঁকি নিয়েছেন সর্বোচ্চ,হাল ছাড়েননি।তিনি নাছোড়বান্দা,”কর অথবা মর’নীতিতে অটল ছিলেন।বহুমুখী বিরোধীতা,ষড়যন্ত্র তিনি নস্যাৎ করেছেন দুরদর্শী কৌশল প্রয়োগে তার অগ্রযাত্রা রোধে সর্ব শক্তি বিনিয়োগ হয়েছে তাকে আটকনো যায়নি।নেতিবাচক প্রচারণা ও কোন কাজে আসেনি বরং হিতে বিপরীত হয়েছে। নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গকারীদের মিশন ব্যর্থ করে তিনি সতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তাঁর উপর চেপে বসা ভুত বিতাড়িত করতে চকরিয়া পৌরসভাসহ চকরিয়া,পেকুয়া, সাংগঠনিক মাতামুহুরি উপজেলা আওয়ামিলীগের সভাপতি,সম্পাদকসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীকে সাথে নিয়ে দিন- রাত মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। কখন যে আবারো পালিয়ে যাবে লেজ গুটিয়ে।তাদের প্রেতাত্না ভর করে আছে এখনো।বুনছে নতুন চক্রান্তের জাল,পাতছে নানা ফাঁদ-সুযোগ পেলেই হানবে আঘাত,উল্টিয়ে দেবে গণেশ।তারা জানেনা, কর্মীর মাইর দুনিয়ার বাইর। ধরলে তারা ছাড়েনা। বিজয় ছিনিয়ে আনতে কর্মীরা মরিয়া তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা, তারা গড়েছে ঐক্য,বেঁধেছে জোট- ইস্পাত কঠিন ঐক্য,এ বাঁধন যাবেনা টুটে।তারা আর পঁচা শামুকে পা আর কাঁটবেনা- হেরফের হলেই উচিত শিক্ষা দেবে। কর্মীরা আঁটঘাঁট বেঁধে নেমেছেন।পরাজয়ের গ্লানি মুছে ফেলবে তারা চিরতরে। প্রতিপক্ষ শক্ত না দুর্বল সে হিসাব কষার সময় নেই,যে কোনমুল্যে তারা বিজয় চায়- বিজয় ছাড়া ঘরে ফিরবেনা।সুবিধাবাদী,বর্ণচোরা,স্বার্থান্বেষীদের সাবধান করে নিশ্চিত বিজয়ের প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে নেপথ্যে থেকে নিবেদিতপ্রাণ কর্মীদের সহযোগী হওয়া ছাড়া আপনাদের অন্য পথ খোলা নেই।নইলে রুদ্ররোষ অবধারিত।এমনটাই মন্তব্য করেছেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। স্বতন্ত্র প্রার্থী জাফর আলম বলেন, বিগত জাতীয় তিন নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী সালাউদ্দিনের নির্বাচন করতে গিয়ে আওয়ামী লীগ কর্মীরা না খেয়ে থেকেছে। অথচ আমি প্রতিবছর ঈদে কর্মীদের জন্য এক কোটি টাকা খরচ করি। আজ নেতাকর্মীদের টাকার কোনো অভাব নেই। স্বাধীনতাপরবর্তী নিজকে সবচেয়ে সফল এমপি দাবি করে জাফর আলম বলেন, আমি আমার আমলে শেখ হাসিনা নৌঘাঁটি নির্মাণ করেছি, রেললাইন করেছি, আমার সংসদীয় এলাকায় ৭১টি মাদ্রাসা ও স্কুলের ভবন নির্মাণ করেছি, ব্রিজ করেছি, এমন কোনো রাস্তাঘাট নেই যে আমি উন্নয়ন করিনি। এসব উন্নয়নের কারণে জনগণ তাকে আগামীতেও মূল্যায়ন করবে বলে বিশ্বাস জাফর আলমের।‘নির্বাচনের মাঠে আমি আছি। আগামী ৭ জানুয়ারী চকরিয়া-পেকুয়া-মাতামুহুরীবাসীর জয় অবশ্যাম্ভাবী।’ বলতে গেলে তৃণমূল থেকে উঠে আসা কর্মী বান্ধব নেতৃত্বের নাম জাফর আলম । তিনিও তাঁর উপর অর্পিত গুরুদায়িত্বপালনে এবং মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করতে সবসময় মরিয়া হয়ে কাজ করছেন মাঠে ময়দানে। ভোটের পরিস্থিতি নিয়ে জাফর আলম বলেন, প্রতিদিন গণসংযোগে লাখ মানুষের ঢল প্রমান করেছে চকরিয়া-পেকুয়ার জনগন আমাকে ভালবাসে। আমি তাদের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চাই।’ তিনি আরো বলেন, ‘স্বাধীনতার ৪৩ বছর পর এই আসনে আওয়ামী লীগের এমপি হিসেবে প্রথমবার নির্বাচিত হয়েছিলাম। জনগণের খুব কাছাকাছি ছিলাম। এজন্য জনগণ এবারের নির্বাচনেও আমাকে ভোট দেওয়ার জন্য অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন। তাই জনগণের সেই ভালবাসা থেকে আমি কোনদিন দূরে থাকতে চাই না। ট্রাক প্রতিক নিয়ে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে আমি জনগনের সেবা করতে চাই।’ মনোনয়ন বঞ্চিত হলেও এলাকার মানুষের সমর্থনে এবং জনপ্রতিনিধি উৎসাহে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আসন্ন নির্বাচনে লড়াই করছেন। তবে এই প্রার্থী হওয়ার পেছনে জাফর আলম বলেন, ‘দলের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচন করতে ইচ্ছুক সবাইকে নির্বাচন করতে বলেছেন। মনোনয়ন না পেলেও স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই। এমনকি কর্মীদের কাজ করতেও কোনো বাধা নেই। তাছাড়া আমার আসনে নৌকার কোনো প্রার্থী নেই। তাই আমি স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচিত হয়ে আমার আসনটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দিতে চাই।’

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

Recent Comments