“বার্তা বাজারে” এনাম মেম্বারকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

অনলাইন গণমাধ্যম “বার্তা বাজার ডটকমেটেকনাফে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এনাম মেম্বারের অবৈধ মার্কেট নির্মাণ! শিরোনামে একটি সংবাদ আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।  গত ৬ জুলাই- মঙ্গলবার বার্তা বাজারের  চট্টগ্রাম বিভাগে প্রকাশিত হওয়া সংবাদটি অসত্য ও উদ্দ্যেশ্য প্রণোদিত। তাই এই সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ করছি। 

উক্ত সংবাদের  ব্যাপারে কিছু তথ্যঃ

আমি এনামুল হক (ইউপি সদস্য, ৮ নং ওয়ার্ড, টেকনাফ সদর)  ২০১৩ সালে আবুল কালাম, আনোয়ারা বেগম, মনোয়ারা আক্তার, রৌশন আরা এবং জাহান আরা বেগমের কাছ থেকে ১১ শতক এবং একই বছরে ছৈয়দ আলম এবং গফুর আলমের কাজ থেকে থেকে ১৫ শতক জমি ক্রয় করি। যার দাগ নং ১৭২৬৯ এবং বি এস খতিয়ান নং ৬৮২৭ এবং একই দাগে আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তি থেকে ২৫ শতক জমি “শহীদ আজিজুল হক বালিকা মাদ্রাসার” নামে দানপত্র করে দিই। বিএস ১৭২৬৬ নং দাগের যে জমিতে আদালতের স্থগিতাদেশ আছে বলে সংবাদে প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু মাদ্রাসার অবস্থান ১৭২৬৯ নং দাগে। তাছাড়া ১৭২৬৬ দাগে আমার কোন সম্পত্তির মালিকানা নাই এবং কোন জমি ভোগদখলও নাই। সুতরাং, বিজ্ঞ আদালতের বিষয়ে অসত্য তথ্য দিয়ে আমাকে বিব্রত করার চেষ্ট করা হয়েছে। যা অনৈতিক ও অপেশাদার।

মুলত, ২০১৫ সালে আমার ক্রয়কৃত জমি সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া গ্রামের ছিদ্দিক আহমদের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র বাহিনী জোরপূর্বক দখল করতে গেলে তাদের কে আমার দুই ভাই বাধা দেয়। কিন্তু একপর্যায়ে আমার ভাই হাফেজ নুরুল হক ও আজিজুল হককে দিনদুপুরে সন্ত্রাসি বাহিনী দিয়ে প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও গুলি করে আমার ভাই আজিজুল হককে হত্যা করে এবং আরেক ভাই হাফেজ নুরুল হককে পঙ্গু করে দেয়। যে জমি রক্ষা করতে গিয়ে ভাই হারালাম, সেই জমিতে লাভের বা লোভের চিন্তা না করে ভাইয়ের স্মৃতি ও ত্যাগকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করি যেখানে প্রতিষ্ঠার পর থেকে নিয়মিত পাঠদান চলমান রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি অলাভজনক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হওয়ায় শিক্ষকদের বেতন ও আনুসাঙ্গিক খরচ বিবেচনায় নিয়ে আমি মাদ্রাসা কতৃপক্ষের কাছ থেকে মাসিক চুক্তিভিত্তিক ভাড়ায় একটি দোকান নিয়ে ব্যবসা শুরু করি। যেটাকে নূরানী মাদ্রাসা থেকে মার্কেটে রূপান্তর করে নিজস্ব অফিস নির্মাণ করা হয়েছে বলে সংবাদে প্রকাশ করা হয়েছে, যা দুঃখজনক।

দুই একদিন আগে আমাকে একটি বাংলালিংক নং থেকে কল করে এনাম মেম্বার নাকি জানতে চাওয়া হয়। আমি তখন মোটরসাইকেলে চলন্ত অবস্থায়। গাড়ী থামিয়ে আমি কল ব্যাক করে পরিচয় জানতে চাওয়া হলে আমাকে অপেক্ষায় রেখে কল কেটে দেয়, পরবর্তীতে আমি বারবার কল দিলে আমার কল রিসিভ করেইনাই। কিন্তু যথাযত বক্তব্য না দিয়ে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছি বলে বিভ্রান্তিকর ও বিব্রতকর তথ্য দিয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর কারণ নিশ্চয় কোন অপশক্তির হতে পারে। যেটা সংবাদ মাধ্যমের কাছে আমরা আশা করতে পারিনা।

আপনার মন্তব্য দিন