বিভিন্ন অনলাইনে প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যা ও প্রতিবাদ

গত ১১ সেপ্টেম্বর “টেকনাফের হ্নীলা রঙ্গিখালীতে এতিম খানায় চাঁদাবাজিকালে ৩ জন কথিত সাংবাদিক আটক” শিরোনামে একটি সংবাদ আমার দৃষ্টিগোচর হয়। প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে আমার ব্যাখ্যা।

টেকনাফের হ্নীলা রঙ্গিখালী ইসলামিক সেন্টার পরিচালিত এতিম খানার দুর্নীতির কিছু তথ্য এবং নথি আমাদের হস্তগত হয়। এরপর আমরা উক্ত এতিম খানা পরিদর্শনের একটি পরিকল্পনা হাতে নিই। সে লক্ষ্যে রাজশাহী, কুমিল্লার দুইজন সহকর্মীসহ আমি উক্ত স্থানে পরিদর্শনে যায়। পরিদর্শনে যাওয়ার আগে আমরা টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কে বিষয়টি অবহিত করি।

এতিমখানায় পৌঁছানোর পর সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে আমাদের নিজ নিজ পরিচয় দিই। এবং পরিদর্শনের যাওয়ার কারণ জানায়। কথাবার্তার এক পর্যায়ে আমাদের হাতে থাকা বিভিন্ন তথ্যের বিষয়ে জানতে চাই। আমাদের কৌশলী প্রশ্নে অধিকাংশ বিষয়ের সত্যতা নিশ্চিত করেন। এরপর আমরা কাঙ্ক্ষিত প্রশ্নের উত্তর পেয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করার প্রস্তুতি গ্রহণ করি।

চলে আসার পুর্ব মুহুর্তে প্রতিষ্ঠানের গোমর ফাঁস হওয়ার ভয়ে স্থানীয় কিছু উৎশৃঙ্খল যুবক দিয়ে আমাদের ঘেরাও করে হামলা করে। আমাদের হাতে থাকা মোবাইল এবং ক্যামেরা কেড়ে নেই। তাদের কাজ থেকে গৃহীত সাক্ষাৎকারের ভিডিও এবং স্থিরচিত্র মুছে ফেলে। আমাদের হুমকি ধমকি দিয়ে ভীত সন্ত্রস্থ করার চেষ্টা করে এবং মিথ্যা বক্তব্য নেই।

এরপর ২০ হাজার টাকার চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগে টেকনাফ থানায় আমাদের হস্তান্তর করে। এবং থানা কতৃপক্ষ যাচাই বাচাই করে আমাদের ছেড়ে দেই। উক্ত এতিমখানার দুর্নীতি ও অনিয়মের সংবাদ বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে আসবে। এই ব্যাপারে কাজ চলছে।

প্রিয় সহকর্মীদের প্রতি আমার অনুরোধ মিথ্যা তথ্যে বিভ্রান্ত না হয়ে সঠিক সংবাদ তুলে ধরুন। এতে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে।

প্রতিবাদকারী
মোঃ সোহেল
কক্সবাজার প্রতিনিধি
জনতার দলিল পত্রিকা

আপনার মন্তব্য দিন