মহেশখালীর গহীন পাহাড়ে মদের কারখানায় পুলিশের অভিযান, বিপুল মদ ও সরঞ্জাম উদ্ধার, গ্রেফতার ২

মহেশখালীর গহীন পাহাড়ে মদের কারখানায় পুলিশের অভিযান, বিপুল মদ ও সরঞ্জাম উদ্ধার, গ্রেফতার ২

সুব্রত আপন।। বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মহেশখালী থানার বড় মহেশখালীর দেবাঙ্গাপাড়ার গহীন পাহাড়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহেশখালী থানা পুলিশ ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট পায়ে হেটে গহীন পাহাড় অভিযান চালিয়ে (ক) ০৮টি নীল রংয়ের প্লাষ্টিকের বড় ড্রামে প্রতিটিতে ২৫০ লিটার করিয়া সর্বমোট ২০০০ লিটার ওয়াশ। (খ) ০২টি নীল রংয়ের প্লাষ্টিকের ড্রামে রক্ষিত প্রতিটিতে ১০০ লিটার করিয়া মোট ২০০ লিটার চোলাইমদ এবং ০১টি সাদা রংয়ের প্লাষ্টিকের ড্রামে ৪০ লিটার ও ০৬টি সাদা রংয়ের প্লাষ্টিকের ড্রামে প্রতিটিতে ১০ লিটার করে মোট ৬০ লিটার সর্বমোট (২০০+৪০+৬০)= ৩০০ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদ। (গ) সিলভারের তৈরি ০৩টি বড় পাতিল উদ্ধার করেন।

উদ্ধার অভিযান শেষে ওসি প্রণব চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, আমাদের কাছে খবর ছিল দেবাঙ্গাপাড়া গহীন পাহাড়ে চোলাই মদ তৈরী করছে।
এ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা প্রায় দেড়ঘন্টার অধিক সময় পায়ে হেটে গহীন পাহাড়ে মদের আস্তনা খুজে বের করে গেরাও করি। পুলিশের উপস্থিতি টের পেরে আস্তনায় কর্মরতরা আসামীরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে আমরা ২ জন আসামীকে হাতেননাতে ধৃত করি। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হল-শাহাদাত উল্লাহ (২৮), পিতা- মৃত মোঃ সিদ্দিক, সাং- দেবাঙ্গপাড়া, বড় মহেশখালী ২। মহিম উদ্দিন (২২), পিতা- আবুল কাশেম, সাং-দেবাঙ্গপাড়া, বড় মহেশখালী।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, এ মদের আস্তনার মালিক দেবাঙ্গাপাড়ার বাসিন্দা মোঃ ওসমানের পুত্র মোঃ ফারুক। তার আন্ডারে গ্রেফতারকৃত আসামীরা দৈনিক মজুরীতে কাজ করে। তাদের লিডার ফারুককে ধৃত করতে আমাদের অভিযান চলবে। মদসহ আটককৃতদের থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।

জানা গেছে, ২০১৭ সালে মহেশখালী থানা পুলিশের অভিযানে দেবেঙ্গা পাড়ার পাহাড় থেকে বিপুল পরিমান চোলাই মদ ও ৩টি দেশীয় তৈরী অস্ত্র সহ ৩ জনকে আটক করা হয়েছিলো।

Related Articles