মহেষখালীতে গুলাগুলির ঘটনায় ৩জন আহত, ৬ লাখ ইয়াবা জব্দ

বিশেষ প্রতিনিধি।

কক্সবাজারের মহেশখালীতে মেয়র মকছুদ মিয়া ও সালাউদ্দীন গ্রুপের মধ্যে গুলাগুলি ও অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ৩জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। ঘটনার পর সালাউদ্দীনের গ্যারেজের গাড়ি থেকে অভিযান চালিয়ে মালিক বিহীন ৬লাখ ২২ হাজার ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করেছে বলে দাবী পুলিশের। এসময় ৩টি মোটর সাইকেল ও একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়।

সোমবার (২৯ মার্চ) রাত ২টা নাগাদ উপজেলার পৌরসভা সিকদার পাড়া এলাকার জকরিয়ার পূত্র সালাহ উদ্দিনের প্রাইভেট কার থেকে এসব ইয়াবা জব্দ করা হয়ছে। গুলিবিদ্ধ আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মহেষখালী থানার ওসি আব্দুল হাই।

গুলিবিদ্ধরা হলেন- নুর হোসেন (৪০), কাউছার (৩০) ও ভূবন(৩৫)। তাদেরকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

ওসি আব্দুল হাই বলেন- রাত ২টার দিকে পৌরসভার মেয়র কার্যালয়ে পাশে গুলাগুলি ও সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে পৌছে মৃত মৌলভী জাকারিয়ার ছেলে সালাহ উদ্দীনের বাড়ি সংলগ্ন গ্যারেজে অগ্নিকান্ড দেখতে পায়। পরে আগুনে পুড়ে যাওয়া একটি কার গাড়ীর মধ্যে ইয়াবা রয়েছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ গাড়িটিতে তল্লাশী চালায়। তল্লাশী চালিয়ে ৬লাখ পিস ইয়াবা বড়ি জব্দ করে। জব্দকৃত ইয়াবার মধ্যে ২লাখ ২০ হাজার পিস ইয়া পুড়ে গেছে। সালাউদ্দীনের বিরুদ্ধে দ্বীর্ঘ দিন ধরে ইয়াবা কারবারের অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, মেয়র মকছুদ মিয়ার সাথে তার চাচাতো ভাই সালাউদ্দীনের সাথে বিরোধ রয়েছে। এই বিরোধের জের ধরে উভয় গ্রুপের মধ্যে গত রাতে গুলাগুলির ঘটন ঘটে। এই ঘটনার জের ধরে দুর্বৃত্তরা সালাহ উদ্দিনের গ্যারেজে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে জানা যায়। তবে ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনাটি রহস্য জনক বলে মন্তব্য করেন স্থানীয়রা। কারন মকছুদ মিয়ার পরিবারের বিরুদ্ধেও ইয়াবার অভিযোগের ইতিহাস বেশ পুরানো। ইতিপূর্বে তার ছেলে ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ ঢাকা আটক হয়ে ছিলো।

ওসি আরো জানান, মহেশখালীর ইতিহাসে সর্ববৃহৎ ইয়াবা চালান উদ্ধার এটি। ইয়াবার উৎস ও কারবারের সাথে কে বা কারা জড়িত তার খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ। পাশাপাশি গুলাগুলির ঘটনার সুস্থ তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মন্তব্য দিন