মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:০১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
চকরিয়া খুটাখালীতে পাওনা টাকার জন্য দুই শিশুকে হত্যার চেষ্টা উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রধানমন্ত্রীর জম্মদিন উদযাপন কালারমারছড়া ইউপি চেয়ারম্যান তারেকের সাড়ে ৬ লাখ টাকা জব্দ করলো দুদক পিএমখালীতে গৃহবধু ও তার ছেলেকে মধ্যযুগীয় বর্বরতায় নির্যাতনের অভিযোগ বদর মোকাম মসজিদ নিয়ে ‘মিথ্যা সংবাদকারী’দের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রয়োজনে সিটিজি সংবাদ ডটকমের সেরা ব্যুরো প্রধান কক্সবাজারের শাহজাহান চৌধুরী শাহীন মৌলিক সংবাদ প্রকাশে সিটিজি সংবাদ অনন্য: প্রতিনিধি সভায় বক্তারা সৈকত দ্বিখণ্ডিত করণ বন্ধে জেলা প্রশাসক ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে চিঠি দিয়েছে ইয়েস কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতকে দ্বিখণ্ডিত করার অভিযোগ কক্সবাজার বদর মোকাম জামে মসজিদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ মুসল্লীদের মানববন্দন
সংবাদ শিরোনাম
চকরিয়া খুটাখালীতে পাওনা টাকার জন্য দুই শিশুকে হত্যার চেষ্টা উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রধানমন্ত্রীর জম্মদিন উদযাপন কালারমারছড়া ইউপি চেয়ারম্যান তারেকের সাড়ে ৬ লাখ টাকা জব্দ করলো দুদক পিএমখালীতে গৃহবধু ও তার ছেলেকে মধ্যযুগীয় বর্বরতায় নির্যাতনের অভিযোগ বদর মোকাম মসজিদ নিয়ে ‘মিথ্যা সংবাদকারী’দের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রয়োজনে সিটিজি সংবাদ ডটকমের সেরা ব্যুরো প্রধান কক্সবাজারের শাহজাহান চৌধুরী শাহীন মৌলিক সংবাদ প্রকাশে সিটিজি সংবাদ অনন্য: প্রতিনিধি সভায় বক্তারা সৈকত দ্বিখণ্ডিত করণ বন্ধে জেলা প্রশাসক ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে চিঠি দিয়েছে ইয়েস কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতকে দ্বিখণ্ডিত করার অভিযোগ কক্সবাজার বদর মোকাম জামে মসজিদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ মুসল্লীদের মানববন্দন

শীতের শুরুতে রোহিঙ্গারা যাবেন ভাসানচরে

নিউজ কক্সবাজার ডটকম
  • আপডেট টাইম শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, সম্পাদক, নিউজ কক্সবাজার।।

বর্ষা শেষে, শীত মৌসুম শুরুতেই রোহিঙ্গাদের প্রথম দফায় নোয়াখালী জেলার অন্তর্ভুক্ত ভাসানচর যাবেন। এরপর মিয়ানমার সরকার যাদের ফেরত নিতে আপত্তি করেনি ‘তারা’ রাখাইনে ফিরবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে । এতে করে কুতুপালং সহ বাকি ক‍্যাম্পগুলোর চাপ কমবে।

তবে এই চরে স্থানান্তরের ব্যাপারে রোহিঙ্গাদের আপত্তি ছিল। কিন্তু সরকার তাদের বুঝিয়ে রাজী করানোর জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছিল।
এলক্ষে নোয়াখালী ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য তৈরি করা আবাসন প্রকল্প পরিদর্শনে গেছেন ৪০ সদস্যের প্রতিনিধি দল।
শনিবার ভোরে (৫ সেপ্টম্বর) কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের ৩৪টি ক্যাম্পের ৪০ জন রোহিঙ্গা নেতাকে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের তত্ত্বাবধানে ভাসাচর পরিদর্শনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
কক্সবাজারের শরনার্থী ত্রাণ ও প্রত্যবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মাহবুবুল আলম তালুকদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নির্বাচিত রোহিঙ্গা প্রতিনিধি দলের সদস্যদের শুক্রবার উখিয়ার কুতুপালং ট্রানজিট ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়। শনিবার ভোরে তারা সেখান থেকে রওয়ানা হয়েছেন বলে জানা গেছে।

সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে প্রথমে তারা বাস যোগে চট্টগ্রাম যাবেন। সেখান থেকে নৌবাহিনীর সহায়তায় জলযানে ভাসানচরে পৌঁছাবেন। প্রতিনিধি দল সাত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করবেন।
পরিদর্শন শেষে ৮ সেপ্টেম্বর তারা ক্যাম্পে ফিরে আসবেন। ক্যাম্পে ফিরে তারা রোহিঙ্গাদের কাছে সেখানকার পুরো অবস্থা বর্ণনা করার কথা রয়েছে। তাদের পরিদর্শন অভিজ্ঞতার আলোকে রোহিঙ্গারা ভাসাচরে যাবেন।
প্রতিনিধি দলে থাকছেন বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের হেড মাঝি, মাঝি এবং মসজিদের ইমাম।আরআরআরসি মাহবুব আলম তালুকদার জানিয়েছেন, ভাসানচরে যাওয়ার সবধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা সরেজমিনে ভাসানচর আবাসন প্রকল্প পরিদর্শন করবেন। সেখানকার বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে রোহিঙ্গাদের জানবেন। প্রতিনিধি দলের কাছে ভাসানচর পরিস্থিতি অবহিত হয়ে শরণার্থী ক্যাম্পের রোহিঙ্গারা ভাসানচরে যেতে আগ্রহী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

উখিয়া-টেকনাফের ৩৪টি ক্যাম্পে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করছেন। তাদেরকে খোলামেলা পরিবেশে রাখার জন্য বঙ্গোপসাগরের বুকে জেগে উঠা নোয়াখালীর ভাসানচরে সরকার প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে আবাসন প্রকল্প নির্মাণ করেছেন। এতে এক লাখের বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করতে পারবেন। আবাসন প্রকল্পকে ঘিরে প্রায় ১৩ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, ১২০টি সাইক্লোন শেল্টার, প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও চিকিৎসা অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে ৩০৩ জন রোহিঙ্গা ভাসানচরে বসবাস করছেন। যারা বিভিন্ন সময় সমুদ্র পথে মালয়েশিয়া পাচারের সময় বঙ্গোপসাগর হতে উদ্ধার হয়েছিল। বাংলাদেশ নৌবাহিনী এসব রোহিঙ্গাদের তত্ত্বাবধান করে আসছিল।

বিশ্বের বৃহৎ শরনার্থী শিবির উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্প ইনচার্জ খলিলুর রহমান জানান, তারা ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের থাকার ব্যবস্থা ও অন্যান্য বিষয়ে সরজমিনে পরিদর্শন করে আবার ও ক্যাম্পে ফিরে আসবেন। তাদেরকে শুক্রবার করোনা টেষ্ট করে ট্রানজিট ক্যাম্পে রাখা হয়। সেখান থেকে সরাসরি বাস যোগে তারা ভাসানচরে উদ্দেশ্য রওনা দেন। কুতুপালং রেজিস্ট্রার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সভাপতি হাফেজ জালাল আহমদ জানান, রোহিঙ্গারা ভাসানচরে চলে গেলে কিছুটা সন্ত্রাসী কার্যক্রম কমে যাবে। তাকে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে দুপুরে মাস্টার মুন্নার গ্রুপের রোহিঙ্গা সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা গুলি করার চেষ্টা করেছে।
তিনি আরো জানান, বর্তমানে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সাধারণ রোহিঙ্গারা বসবাস করার জন্য একেবারে নিরাপদ নয়, বল মত দেন তিনি।
এদিকে, একটি সুত্র জানিয়েছেন,বর্ষা চলে গেলে, শীত মৌসুম শুরুতেই রোহিঙ্গাদের প্রথম দফায় ভাসানচর যাবে। এরপর মিয়ানমার সরকার যাদের ফেরত নিতে আপত্তি করেনি ‘তারা’ রাখাইনে ফিরবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে । এতে করে কুতুপালং সহ বাকি ক‍্যাম্পগুলোর চাপ কমবে।

আপনার মন্তব্য দিন

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো সংবাদ>>
© All rights reserved © 2017-2020 নিউজ কক্সবাজার ডটকম
Theme Customized By Shah Mohammad Robel